নিউ ইয়র্কের ব্রুকলিনে একটি ঐতিহাসিক মসজিদে এক ভাঙচুরকারী কোরআনের পৃষ্ঠা ছিঁড়ে ফেলে এবং দরজায় মলমূত্র লেপন করেছে এমন অভিযোগ জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশের তথ্যমতে, ব্রুকলিন হাইটস এলাকার স্টেট ও ক্লিনটন স্ট্রিটে অবস্থিত আমেরিকার ইসলামিক মিশন দাউদ মসজিদ-এর প্রবেশপথে ৯ মার্চ ভোর সাড়ে ৪টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। মসজিদের সামনের সিঁড়িতে ছেঁড়া কোরআনের পৃষ্ঠা ফেলে রাখা হয়।
পুলিশ সূত্র জানায়, প্রথমে ঘটনাস্থল ত্যাগ করলেও পরে আবার ফিরে এসে মসজিদের দরজায় মলমূত্র লেপন করে অভিযুক্ত ব্যক্তি। এরপর সে স্টেট স্ট্রিট ধরে পূর্ব দিকে পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। নিউ ইয়র্ক পুলিশ বিভাগ সন্দেহভাজনের সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করেছে এবং তাকে শনাক্ত করতে জনসাধারণের সহায়তা চেয়েছে।
রোববার এক বিবৃতিতে আমেরিকান-ইসলামিক সম্পর্ক বিষয়ক কাউন্সিল নিউ ইয়র্ক এই ঘটনাকে নিন্দা জানিয়েছেন।
সংগঠনটির নির্বাহী পরিচালক আফাফ নাশের বলেন, এই ধরনের অপবিত্রতা সৃষ্টির চেষ্টা অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং এটি স্পষ্টতই একটি উপাসনালয়কে লক্ষ্য করে ঘৃণাপ্রসূত হামলার প্রতিফলন। আমরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ধন্যবাদ জানাই এটি ঘৃণাজনিত অপরাধ হিসেবে তদন্ত করার জন্য এবং দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান জানাই।
প্রায় ১০০ বছর আগে সুন্নি মুসলমানদের সেবা দেওয়ার উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত এই মসজিদটি একটি রূপান্তরিত টাউনহাউসে অবস্থিত। মসজিদের ওয়েবসাইটে একে 'যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রভাবশালী ইসলামি সংগঠন' হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, সন্দেহভাজন ব্যক্তি কালো টুপি, চিবুকের নিচে নামানো কালো মাস্ক, লাল রঙের সোয়েটশার্ট ও সোয়েটপ্যান্ট এবং সাদা-কালো স্নিকার্স পরা ছিল।
এ ঘটনায় কারও কাছে কোনো তথ্য থাকলে (৮০০) ৫৭৭-টিপস নম্বরে ক্রাইম স্টপার্সে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানিয়েছে পুলিশ। সব তথ্য গোপন রাখা হবে।
পুলিশের তথ্যমতে, ব্রুকলিন হাইটস এলাকার স্টেট ও ক্লিনটন স্ট্রিটে অবস্থিত আমেরিকার ইসলামিক মিশন দাউদ মসজিদ-এর প্রবেশপথে ৯ মার্চ ভোর সাড়ে ৪টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। মসজিদের সামনের সিঁড়িতে ছেঁড়া কোরআনের পৃষ্ঠা ফেলে রাখা হয়।
পুলিশ সূত্র জানায়, প্রথমে ঘটনাস্থল ত্যাগ করলেও পরে আবার ফিরে এসে মসজিদের দরজায় মলমূত্র লেপন করে অভিযুক্ত ব্যক্তি। এরপর সে স্টেট স্ট্রিট ধরে পূর্ব দিকে পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। নিউ ইয়র্ক পুলিশ বিভাগ সন্দেহভাজনের সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করেছে এবং তাকে শনাক্ত করতে জনসাধারণের সহায়তা চেয়েছে।
রোববার এক বিবৃতিতে আমেরিকান-ইসলামিক সম্পর্ক বিষয়ক কাউন্সিল নিউ ইয়র্ক এই ঘটনাকে নিন্দা জানিয়েছেন।
সংগঠনটির নির্বাহী পরিচালক আফাফ নাশের বলেন, এই ধরনের অপবিত্রতা সৃষ্টির চেষ্টা অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং এটি স্পষ্টতই একটি উপাসনালয়কে লক্ষ্য করে ঘৃণাপ্রসূত হামলার প্রতিফলন। আমরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ধন্যবাদ জানাই এটি ঘৃণাজনিত অপরাধ হিসেবে তদন্ত করার জন্য এবং দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান জানাই।
প্রায় ১০০ বছর আগে সুন্নি মুসলমানদের সেবা দেওয়ার উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত এই মসজিদটি একটি রূপান্তরিত টাউনহাউসে অবস্থিত। মসজিদের ওয়েবসাইটে একে 'যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রভাবশালী ইসলামি সংগঠন' হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, সন্দেহভাজন ব্যক্তি কালো টুপি, চিবুকের নিচে নামানো কালো মাস্ক, লাল রঙের সোয়েটশার্ট ও সোয়েটপ্যান্ট এবং সাদা-কালো স্নিকার্স পরা ছিল।
এ ঘটনায় কারও কাছে কোনো তথ্য থাকলে (৮০০) ৫৭৭-টিপস নম্বরে ক্রাইম স্টপার্সে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানিয়েছে পুলিশ। সব তথ্য গোপন রাখা হবে।
ইমা এলিস, নিউ ইয়র্ক